২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
Advertisement 728x90
সর্বশেষ খবর
১. গোয়াইনঘাটে আমনের মৌ-মৌ ঘ্রাণে মুখর পূরো এলাকা সোনালী ধানে ভরে উঠেছে ফসলের মাঠ কঙ্গোয় ভয়াবহ খনি ধস: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০, উদ্ধারকাজে বাধা জাফলং জিরো পয়েন্টের সাদা পাথর লুটপাট কান্ডের অন্যতম সদস্য আনোয়ার আটক বিএনপি ক্ষমতায় এলে গোয়াইনঘাটসহ অত্রাঞ্চলের চিত্র বদলে দেবো–আরিফুল হক ৫. সালুটিকর পাহাড় — শান্তির নীল আকাশ ১. গোয়াইনঘাটে আমনের মৌ-মৌ ঘ্রাণে মুখর পূরো এলাকা সোনালী ধানে ভরে উঠেছে ফসলের মাঠ কঙ্গোয় ভয়াবহ খনি ধস: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০, উদ্ধারকাজে বাধা জাফলং জিরো পয়েন্টের সাদা পাথর লুটপাট কান্ডের অন্যতম সদস্য আনোয়ার আটক বিএনপি ক্ষমতায় এলে গোয়াইনঘাটসহ অত্রাঞ্চলের চিত্র বদলে দেবো–আরিফুল হক ৫. সালুটিকর পাহাড় — শান্তির নীল আকাশ
খেলাধুলা

কঙ্গোয় ভয়াবহ খনি ধস: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০, উদ্ধারকাজে বাধা

প্রকাশের তারিখ: ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
স্থান:কলওয়েজি, ডিআর কঙ্গো

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআরসি) লুয়ালাবা প্রদেশের কাওয়ামা অঞ্চলে একটি খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৮০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ আটকা থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খারাপ আবহাওয়া ও ভঙ্গুর খনি কাঠামোর কারণে উদ্ধারকার্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিবরণ:
গত শনিবার(১৫ নভেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুরে কলওয়েজি শহরের নিকটবর্তী মুলন্ডো লুয়ালাবা কোয়ারিতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তামা ও কোবাল্ট আহরণের জন্য অসংরক্ষিত ও অননুমোদিতভাবে গর্ত খননের কারণেই পাহাড়ের একটি অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। ঘটনাস্থলে কাজ করছিলেন এমন একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ভূমিধসের সময় শতাধিক শ্রমিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে অনেকেই পাহাড়ের গায়ে কাজ করছিলেন। ধস এতটাই দ্রুতগতিতে ও ব্যাপক আকারে ঘটে যে, কর্মীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার কোনো সুযোগই থাকেনি।

দুর্ঘটনার মুহূর্তে ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ধুলোর এক ঘন ঘূর্ণিতে চারপাশ অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে শ্রমিকদের চিৎকার শোনা গেলেও, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

পটভূমি:
ডিআর কঙ্গোর এই অঞ্চলটিতার সমৃদ্ধ খনিজ সম্পদের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত, বিশেষ করে তামা ও কোবাল্টের জন্য। কিন্তু এখানকার অসংরক্ষিত ও অনানুষ্ঠানিক খনি (স্থানীয়ভাবে ‘আর্টিসানাল মাইনিং’ নামে পরিচিত) এলাকাগুলোতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এসব খনিতে নিরাপত্তার কোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সাধারণত অনুসরণ করা হয় না, যার ফলে শ্রমিকরা সর্বদা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে কাজ করেন।

বর্তমান অবস্থা:
স্থানীয়গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়িয়েছে এবং এখনও অনেক নিহতের দেহ উদ্ধার করা বাকি রয়েছে। প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন ও চিত্র এতই মর্মস্পর্শী যে, সেগুলো প্রচার করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকারী দলগুলি পুরোদমে কাজ করলেও, তারা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। এক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকের বক্তব্য, “আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, কিন্তু পাহাড়ের বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর সবকিছু চাপা দিয়েছে।”

এই ঘটনাটি ডিআরসির অর্থনীতির একটি কঠিন বাস্তবতাকে আবারও উন্মোচিত করেছে – বিশ্বের ইলেকট্রনিক্স শিল্পকে চালিকা শক্তি দেওয়া এই খনিজ সম্পদের পেছনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য নিরীহ শ্রমিকের জীবন ও নিরাপত্তাহীনতা।

প্রতিক্রিয়া:
বৈশ্বিক সম্প্রদায়ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে, ডিআরসি সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো রকমের দাপ্তরিক বিবৃতি জারি করা হয়নি।

ibnnews #CongoMineCollapse #DRCMiningDisaster #KolweziTragedy

ArtisanalMining#Congo #news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *